Your Cart
:
Qty:
Qty:
সজনে পাতা কি নিজেরা খাওয়ার পাশাপাশি বাচ্চাদেরও খাওয়ানো যাবে? উল্লেখ্য, আমার দুই সন্তানের বয়স যথাক্রমে ১৪ ও ৮
অবশ্যই। শুধু সন্তান নয়, পরিবারের সব বয়সী সদস্যদের সুস্বাস্থ্যের জন্যে সজনে পাতা অত্যন্ত উপকারী। এক টেবিল-চামচ সজনে পাতার গুঁড়ায় ১-৩ বছর বয়সী শিশুদের সারাদিনের চাহিদার ১৪% আমিষ, ৪০% ক্যালসিয়াম ও ২৩% লৌহ রয়েছে এবং ভিটামিন এ চাহিদার প্রায় পুরোটাই পূরণ করতে পারে। চোখের সমস্যার একটা কারণ কিন্তু ভিটামিন এ ঘাটতি, যেটা পর্যাপ্ত পাবেন সজনে পাতা থেকে। তাই বাচ্চাদেরও প্রতিদিন সজনে পাতা খেতে দেবেন। চোখের সমস্যা হবে না, অপুষ্টিও দূর হবে।
প্রাচীনকালে প্রবাদের মতো বলা হতো—‘সজনের পাতার তিনশ গুণ/ তিনশ রোগের মুখে আগুন।’ তখন মানুষ এটা শুধু মুখে বলতেন না, কাজেও লাগাতেন। রোমান, গ্রিক ও মিসরীয়রা সজনে বীজের তেল বানিয়ে খেত এবং এ তেল দিয়ে দামি দামি পারফিউম ও গায়ে মাখা লোশন পর্যন্ত তৈরি করত। এ যুগের পুষ্টিবিজ্ঞানীরাও এ ব্যাপারে অত্যন্ত সচেতন।
সম্প্রতি ব্রিটেনের লিচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয় ও ভারতের হায়দ্রাবাদে জাতীয় পুষ্টি ইনস্টিটিউশনের গবেষণা থেকে বেরিয়ে এসেছে—প্রাণীদেহ যে প্রোটিন দিয়ে তৈরি, সে প্রোটিনের মূল উপাদান এমাইনো এসিড। এমাইনো এসিডগুলো পাওয়া যায় মাছ, মাংস, ডিম, দুধ ইত্যাদি থেকে। কিন্তু ছোট ছোট সজনে পাতার মধ্যে যত ধরনের এমাইনো এসিড লুকিয়ে আছে, এখন পর্যন্ত পৃথিবীর অন্য কোনো পাতায় এমনটা দেখা যায় নি।
শুধু এমাইনো এসিড নয়, সজনে পাতা ভিটামিন ও খনিজ পদার্থের খনি। এক গ্রাম সজনে পাতায় আছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, পটাশিয়াম, আয়রন, কপার, সালফার, ক্যারোটিন, বিটা-ক্যারোটিন, ভিটামিন বি এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। দুধের চেয়ে চার গুণ বেশি ক্যালসিয়াম আর দই-এর চেয়ে দ্বিগুণ বেশি প্রোটিন আছে এতে। এতগুলো নিউট্রেন্ট থাকার কারণে বিজ্ঞানীরা বলছেন, সজনে পাতা একটি অলৌকিক পাতা। এরকম একটি সুপার ফুড শিশুদের অবশ্যই দেবেনকোয়ান্টাম www.soabd.com
01720931173
01742931193
#মরিঙা #পাউডার #soabd #safefoodর: কোয়ান্টাম
।
তথ্য সূত্রঃ